সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় এক কলেজছাত্রের ধর্ষণে স্থানীয় একটি স্কুলের অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রী ৭ মাসের অন্তঃসত্বা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ধর্ষক নাসির হোসেনকে গেপ্তার করেছে পুলিশ।
নাসির উপজেলার চর বাঁশবাড়িয়া গ্রামের সিরাজুল প্রামাণিকের ছেলে ও সরকারি হাজী কোরপ আলী মেমোরিয়াল কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষের ছাত্র। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর নানী রেজিয়া বেগম বাদী হয়ে কামারখন্দ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ৮ মাস আগে নাসির ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। প্রেমের সম্পর্ক এক পর্যায়ে শারীরিক সম্পর্কে গড়ায়। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে নাসির ওই স্কুলছাত্রীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে। এক পর্যায়ে ছাত্রীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে গত রবিবার তার নানী তাকে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে পরীক্ষা করালে তার পেটে ৭ মাসের বাচ্চা আছে বলে জানান চিকিৎসক। পরে তার নানীর জিজ্ঞাসাবাদে নাসিরের সাথে ঘটে যাওয়া পুরো ঘটনার বর্ণনা দেয় ওই ছাত্রী। পরে মঙ্গলবার মধ্য রাতে ওই ছাত্রীর নানী নাসিরকে আসামি করে কামারখন্দ থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর মঙ্গলবার সকালে বাঁশবাড়িয়া এলাকা থেকে নাসিরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কামারখন্দ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দয়াল কুমার ব্যানার্জী জানান, ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর নানীর অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা দায়ের করার পর মঙ্গলবার সকালে নাসিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে দুপুরে তাকে সিরাজগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

This comment has been removed by the author.
ReplyDelete